২য় ধাপে কোভিডঃ ১৯ ফাইজারের টিকার মূল চ্যালেঞ্জ অতি কম তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা

SA বাংলা নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশক

সুমন আখন্দ শুভ

রিপোর্ট – সোহাগ খাঁন

আমেরিকার কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি কোভ্যাক্সের এক লাখ ছয় হাজার ডোজ টিকা আসার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদফতর।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফাইজারের টিকার মূল চ্যালেঞ্জ হল অতি কম তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন বিবিসিকে জানিয়েছেন, ফাইজারের টিকা যেহেতু মাইনাস ৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখতে হবে তাই আসার পরেই সেটা ঢাকার তেজগাঁও কেন্দ্রীয় হিমাগারের রাখা হবে।

আমেরিকার কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি কোভ্যাক্সের এক লাখ ছয় হাজার ডোজ টিকা কাদের দেয়া হবে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, টিকা বিতরণ এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই একদিনের মধ্যে বৈঠক হবে সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

মূল চ্যালেঞ্জ: তাপমাত্রা সংরক্ষণ

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই কোভাক্স টিকার প্রথম চ্যালেঞ্জটি মনে করছেন এটা সংরক্ষণের জন্য যে তাপমাত্রা দরকার সেটা নিয়ে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বে নজীর আহমেদ বলেন ফাইজারের টিকা সংরক্ষণের জন্য ঢাকার বাইরে এত কম তাপমাত্রার হিমাগার নেই।

তিনি বলেন “ফাইজারের টিকার মূল চ্যালেঞ্জ হল তাপমাত্রা – কোল্ড চেইন বলি আমরা এটাকে, অর্থাৎ প্রত্যেকটা টিকার একটা তাপমাত্রা আছে যে তাপমাত্রায় টিকাটা সংরক্ষণ করতে হয়। ফাইজারের টিকার ক্ষেত্রে ৬০-৭০ ডিগ্রি মাইনাস অর্থাৎ অত্যন্ত নিচু তাপমাত্রা লাগে।”

“একটা উদাহরণ দিলে বোঝা যায় যেমন, আমাদের যে ডিপ ফ্রিজ সেটার তাপমাত্রা মাইনাস ২০-২৩ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। সেক্ষেত্রে এখানে মাইনাস ৬০/৭০ ডিগ্রি অর্থাৎ অনেক কম। এইরকম কম তাপমাত্রার ফ্রিজ আমাদের কম। সেটা একটা চ্যালেঞ্জ আমাদের”।

“ঢাকায় পাঁচ লক্ষ টিকা সংরক্ষণ করার মত এমন ফ্রিজ আছে। কিন্তু ঢাকার বাইরে এই মুহূর্তে এই তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করাটা একটা চ্যালেঞ্জ,” বলছেন তিনি।

SA BANGLA NEWS